লেবাননে ইসরাইলের হামলা অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান শান্তি আলোচনা বন্ধের হুমকি দিয়েছে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
- কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত ১৫
- * * * *
- বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স, খেলোয়াড়দের মধ্যে শীর্ষে ইয়ামাল
- * * * *
- এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় আম্বানিকে পেছনে ফেললেন টিকটক বিলিয়নিয়ার
- * * * *
- ট্রাম্পের ‘আসল প্রেমকাহিনী’ নিয়ে সাবেক সহযোগীর বিস্ফোরক দাবি
- * * * *
- ট্রাম্প জামাতা কুশনারের বিলাসবহুল রিসোর্ট ঘিরে উত্তাল আলবেনিয়া
- * * * *
শান্তি আলোচনা
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদের মধ্যে দুই দিনব্যাপী ত্রিপক্ষীয় আলোচনা শেষ হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে তিন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে দ্বিতীয় দিনের আলোচনা হয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনার জন্য একটি সম্ভাব্য নতুন ধাঁচের প্রস্তাব দিয়েছে।
ইউক্রেন শান্তি আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মস্কোর দাবি অনুযায়ী প্রথমেই অতিরিক্ত ভূখণ্ড থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশিয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।
সীমান্তে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের মধ্যে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে শান্তি আলোচনা সোমবার তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার বিষয়ে আলোচনা করছেন।
গাজায় চলমান যুদ্ধ অবসানের জন্য মধ্যস্থতাকারীদের 'দ্রুত পদক্ষেপ' নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার মিশরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে পরোক্ষ শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার ঠিক আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বার্তা দেন তিনি।
ইউক্রেন আগামী সপ্তাহে রাশিয়ার সঙ্গে নতুন করে শান্তি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছে। গত মাসে আলোচনা থেমে যাওয়ার পর পূর্ব ইউরোপের এই দেশটির পক্ষ থেকে নতুন এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলো।
পেহেলগাম হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চললেও উসকে ওঠা উত্তেজনা পুরোপুরি থামেনি। দুদেশের মধ্যকার উত্তেজনায় শান্তি আলোচনায় জোর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
কিয়েভ যদি যুদ্ধ বন্ধ করতে চায়, তাহলে তাকে বড় অংশের নতুন ভূখণ্ড ছেড়ে দিতে হবে।
ইউক্রেনের শান্তি আলোচনায় শেষ পর্যন্ত ইউরোপের অংশগ্রহণের প্রয়োজন হবে। তবে মস্কো প্রথমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক তৈরি করতে চায়।